দগ্ধ নুসরাতকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর!

25

অনিন্দ্যবাংলা ডেক্স:

ফেনীর সোনাগাজীর অগ্নিদগ্ধ মাদ্রাসাছাত্রীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ওই ছাত্রীকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া এই নির্দেশের কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী দগ্ধ ছাত্রীর সর্বশেষ স্বাস্থ্যবিষয়ক কাগজপত্র সিঙ্গাপুরের সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বিপ্লব বড়ুয়াকে পাশে রেখে হাসপাতাল থেকে ফোনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন। এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মেয়েটিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একটু আগে ফোনে কথা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ওই ছাত্রীর স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নিয়েছেন।

পরে বিপ্লব বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি ছাত্রীটিকে দেখতে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী ছাত্রীটিকে সিঙ্গাপুর পাঠানো নির্দেশ দিয়েছেন। এর সব খরচ বহন করবে সরকার।

সব পরিকল্পনা শেষে গত বছরের ৪ ডিসেম্বর ইসাহাককে খুন করার উদ্দেশ্যে খুনিরা ইসাহাকের বাড়ির গ্যারেজে অবস্থান নেন। রাত নয়টার দিকে দলীয় কার্যালয় থেকে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছেন ইসাহাক—মোবাইলে খুনিদের এমন সংকেত দেন লিটু। ইসাহাক গাড়ি নিয়ে পৌঁছানো মাত্রই খুনিরা তাঁকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় ইসাহাকের গাড়িচালকও আহত হন।

পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিমল চন্দ্র বলেন, হারুনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ফলে আওয়ামী লীগ নেতা ইসাহাক হোসেন হত্যার পুরো রহস্য এখন উদ্‌ঘাটিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত চারজন আসামি গ্রেপ্তার হলো। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আরও কিছু খুনির নাম পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম বলা যাবে না। তারা পলাতক। তবে তাদের শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।

এই হত্যাকাণ্ডের পরদিন মূল পরিকল্পনাকারী আবুল কালাম আজাদ, তাঁর ভাই লোকমান হোসেন ও ইসাহাকের বাড়ির কেয়ারটেকার আনিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার অভিযোগপত্র এখনো আদালতে জমা দেয়নি পুলিশ।