জামালপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবর্ষের প্রথম ওরিয়েন্টেশন 

147

জামালপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবর্ষের প্রথম ওরিয়েন্টেশন 

আব্দুল্লাহ আল-আমীন :  জামালপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৮ এপ্রিল ।

জামালপুর সরকারী আশেক মাহমুদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ অডিটরিয়ামে ১৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সৈয়দ সামসুদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাবেক বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি, জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম  বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মোজাফ্ফর হোসেন এমপি, সাবেক ভুমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরা, জেলা প্রশাসক আহমেদ কবির, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ও পৌর মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি প্রমুখ।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা মানে ঐ এলাকাকে আলোকিত করা। শিক্ষা হচ্ছে আলো, শিক্ষা বলতে প্রকৃত শিক্ষার অভাবে মানুষ অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মানে আলোর হ্যারিকেন, শিক্ষা যত বাড়বে আলোর ব্যাপ্তিও ততই বাড়বে। জামালপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচ, তোমাদের পদচিহ্ন অনুসরণ করেই পরবর্তী প্রজন্ম এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করবে, তাই তোমাদের দায়িত্বও বেশী। জ্ঞানের যে আলয় তা হল বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় হল উন্মুক্ত জ্ঞান ও মত প্রকাশের জায়গা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ড. মাহবুবুর রহমান। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী সমাজকর্ম বিভাগের আলমগীর কবির ও কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বীপক চন্দ্র বর্মনকে জেলা পরিষদের পক্ষ হতে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়।