নেত্রকোনার আটপাড়ায় গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার

111

অনিন্দ্যবাংলা ডেক্স : নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলায় সন্ত্রাসী হামলার গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত  আসামী সাদ্দামকে গ্রেফতার। আজ বুধবার সন্ধ্য ৭টায় গোপনসূত্রে খবর পেয়ে আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আলী হোসেন পিপিএম এর আদেশে, এসআই সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ স্থানীয় কাশেম বাজার থেকে আসামী সাদ্দামকে আটক করেন। বাকী কয়েকজন এখনও পলাতক।

উল্লেখ্য যে, ২৫ মার্চ, শুক্রবার নেত্রকোণা জেলার আটপাড়া উপজেলায় খিলা গ্রামের মো: হাশেম তার সন্ত্রাসী দল-বল নিয়ে পাওনাদার সম্রাট মিয়ার বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করে সড়কি, বল্লম, রামদা, রড, লাটিসহ মারাত্মক অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাংচুর চালায়। পরিকল্পিত এই হামলায় নারী-পুরুষ-শিশুসহ ১০-১২জন গুরুতর আহত হয় । হোসনে আরা, রবিন, কাশেম, মুখলেছ, জসিম, ওবায়দুল তিনদিনের চিকিৎসা শেষে বাড়ী ফিরলেও ওয়াজিবুলের অবস্থা আশংকাজনক ফলে তাকে আটপাড়া হাসপাতাল থেকে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সন্ত্রাসীদের রাম দাঁয়ের কোপে সম্রাট মিয়ার মাথা খন্ডিত হয়ে যায় এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। প্রচন্ড রক্তক্ষরণের সাথে বমি শুরু হয়, সম্রাট মিয়া জ্ঞান হারিয়ে ফেললে মুমুর্ষ অবস্থায় তাকে আটপাড়া সদর হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক সম্রাট মিয়ার আশংকাজনক অবস্থা দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঐদিনেই ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে পাঠান। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কয়েক ঘন্টা চিকিৎসার পর সম্রাট মিয়ার শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হলে কতর্ব্যরত ডাক্তার তাকে অজ্ঞান অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রাম দায়েঁর প্রচন্ড আঘাতে সম্রাট মিয়ার মাথার মস্তিস্ক কেটে দেবে গিয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে ৩ ব্যাগ রক্ত দিতে হয়েছে । ঘটনার দিন থেকে সম্রাট মিয়া এখন পর্যন্ত অজ্ঞান অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃতৃুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন সম্রাট মিয়ার অবস্থা খুব আশংকাজনক ও নাজুক। উন্নত চিকিৎসা না হলে যেকোন মূহুর্ত্বে অবস্থার অবনতি ঘটতে পারে।

সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় আটপাড়া থানায় একটি মামলা হয়েছে। উক্ত মামলার কয়েকজন আসামী জামিন নিলেও পলাতক ৩জনের ১জন আজ ধরা পড়েছে।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আলী হোসেন পিপিএম বলেন, যেভাবেই হোক বাকী আসামীদের ধরা হবে। আমার এলাকায়  মাদক, সন্ত্রাসী ও বে-আইনী কোন কর্মকান্ড চলতে দেয়া হবে না।