বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যান বোর্ডের ৩য় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সচিব সাজ্জাদুল হাসান

110

অনিন্দ্যবাংলা :  ৫ এপ্রিল, ময়মনসিংহ । বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যান বোর্ড , ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয় আয়োজিত ৩য় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় । ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান । ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) নিরঞ্জন দেবনাথের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) জনাব এ এইচ এম লোকমান, জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দিন ভুঁইয়া,মুকুল নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয় রেক্টর ক্রীড়ানুরাগী আমির আহাম্মদ চৌধুরী রতনসহ বিভাগীয় ও প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ। ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান ময়মনসিংহ বিভাগকে আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সার্বিক সহযগিতার আশ্বাস দেন । বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের কৃতি সন্তান সচিব সাজ্জাদুল হাসানের আগমনে অনুষ্ঠান হয়ে উঠেছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত ।

সাজ্জাদুল হাসান ১৯৬১ সালে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামে সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। কৃষি অর্থনীতির ছাত্র সাজ্জাদুল হাসান ১৯৮৫ ব্যাচের বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে বিভিন্ন জেলায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৪ সালের ২ মার্চ তিনি সিলেট বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের (তৎকালীন সড়ক বিভাগ) যুগ্মসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সফলতার ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালে ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পান। সুনাম ও কৃতিত্বের সাথে এ গুরু দায়িত্ব পালন শেষে কর্মদক্ষতা ও সততার কারণে সাজ্জাদুল হাসান প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব পান। দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি গোটা দেশের তথা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ভাগ্যেন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেন।

স্বাধীন বাংলার স্থপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা মাদার অফ হিউম্যানিটি ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে নিজ অঞ্চল অবহেলিত ভাটিবাংলার উন্নয়নে ব্যাপক কর্ম পরিকল্পনা হাতে নিয়ে তা বাস্তবতার রূপ দিয়ে প্রতিনিয়ত তদারকি করছেন।

সাজ্জাদুল হাসান। বাবা প্রয়াত ডা: আখলাকুল হোসাইন একজন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসার মন্ত্র শিখেছেন বাবার কাছ থেকে শৈশবে। বাবা বঙ্গবন্ধুর সময়ে গণপরিষদ সদস্য ছিলেন। বড় ভাই ওবায়দুল হাসান শাহীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি। মানবতা বিরোধী অপরাধ বিচারের রায়ের মধ্য দিয়ে গোটা দেশে তাঁর একটি  গ্রহণযোগ্য পরিচিতি গড়ে উঠে।

ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ও সরকারী গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও কীভাবে নিজেকে পরিচ্ছন্ন ও সৎ রাখা যায় তার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত সাজ্জাদুল হাসান পরিবার। আর এ কারণেই পুনরায় তাঁর ওপর আস্থা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।