রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে থাকবে

42
রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ‘সেফ জোন’ তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ ও মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলোর তদারকিতে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জন্য ‘সেফ জোন’ তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্রের সহয়তা চেয়েছে বাংলাদেশ।

ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. একে আব্দুল মোমেন সোমবার এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজ নিজ দপ্তর পাওয়ার পর এটাই তাদের মধ্যেকার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। খবর: ইউএনবি

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন যুক্তরাষ্ট্রকে জানান, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও সহয়তাকারী সংস্থার সমন্বয়ে বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে এক লাখ রোহিঙ্গাকে স্থানান্তরের জন্য ভাষানচর দ্বীপকে বসবাস উপযোগী করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করে বলেন, বাংলাদেশে আসা মিয়ানমারের ১০ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত নাগরিককে কোনো ধরনের ভীতি ও অত্যাচার ছাড়া অবশ্যই মিয়ানমারে ফেরত যেতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে পুর্ণ আশ্বাস দিয়ে বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে (রাজনৈতিক ও অর্থনৈতি উভয়ভাবে) থাকবে।

উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা মিয়ানমার সরকার ও সামরিক বাহিনীর দায়িত্ব উল্লেখ করে পম্পেও বলেন, যাতে করে তারা (রোহিঙ্গারা) মিয়ানমারে ফিরতে নিরাপদ বোধ করেন।

এসময় নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়ে মানবিকতার পরিচয় দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশাংসা করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।