সৃজনশীলতা অর্জনের সঠিক উপায় !

73

মানুষ – মন – সৃজন
শেখ অনিন্দ্য মিন্টু

সৃজনশীলতা কি?

কী আসে মনে যখন আপনি ভাবেন সৃজনশীলতা নিয়ে যেহেতু মানুষ কল্পনাপ্রবন আবিষ্কারধর্মী ঝুঁকি নেয় এবং বহন করে চ্যালেঞ্জিং কনভেনশন? [কনভেনশন অর্থে সমাজপ্রবন] আপনি কি আদি উৎসের মৌলিকতা নিয়ে ভাবেন? এবং ভাবেন কি মূল্যবোধ নিয়ে যা কিছু মানুষ উৎপাদন নিয়ে ভাবেন? সম্ভবত আপনি ভাবছেন তখনই কেবলমাত্র আপনি সৃষ্টিশীল হতে পারেন যদি আপনি হতে পারেন শৈল্পিক।
সৃজনশীল সংজ্ঞা দিতে গেলে প্রথমেই সুন্দরভাবে শুরু করা যায় যে আমাদের সমূহ ভবিষ্যৎ সৃজনশীল সংস্কৃতি এবং শিক্ষা। জাতীয় উপদেশক পর্ষদের রিপোর্ট (ডি আই ই ই, ১৯৯৯)। এই রিপোর্ট বলা হয়েছে আমরা সকলেই যা পারি সৃজনশীল হতে কম বা বেশী মাত্রায় যদি আমাদেরকে সুযোগ দেওয়া হয়। এই রিপোর্ট প্রদত্ত সৃজনশীলতার সংজ্ঞাকে [পৃঃ২৯] চার ভাগে ভাগ করা যায়- সংজ্ঞা ভেঙে চারটে বৈশিষ্টে চিহ্নিত করা যেতে পারে।
প্রথম ওরা [সৃজনশীলতার বৈশিষ্টসমূহ] সবসময় চিন্তা বা কল্পনা ভাবের ভাবুকতায় রত থাকে। দ্বিতীয় সার্বিকভাবে এই কল্পনাপ্রবন কাজে হচ্ছে উদ্দেশ্যমূলক তার মানে একটা উদ্দেশ্য অর্জনের দিকে প্রধাবিত। তৃতীয় এই সকল প্রক্রিয়া অবশ্যই জেনারেট করবে কিছু আদি উৎসের মৌলিকতা। উদ্ভব ঘটাবে অরি জিনালিটির। চতুর্থ উদ্দেশ্যের সংগে সংগতিময় মূল্যবোধ হবে এর ফলাফল এই সংজ্ঞা দ্বারা উপস্থাপিত বৈশিষ্ট সমূহের বিতর্ক করতে গেলে উপকারী আরম্ভ বিন্দু হতে পারে একমাত্র হতে যে আপনার স্কুল প্রকৃত পক্ষে সৃজনশীল বলতে কি বোঝান। কল্পনা এবং উদ্দেশ্য মৌলিকতা, মূল্যবোধ।

কল্পনা এবং উদ্দেশ্য?
কল্পনা অবশ্যই সৃজনশীলতার চাবি-অংশ। কিন্তু সকল কল্পনা প্রবণ ভাব বা আইডিয়াই কি সৃজনশীল?
মনে করুন কেউ একজন নীল এবং শাদা স্ট্রাইপ দেওয়া ইউনিকর্ন এর কল্পনা করলেন। [ইউনিকর্ন শাদা ঘোড়ার মতন এক ধরণের প্রাণী, যেটির কপালে গজিয়েছে দীর্ঘ্য ঋজু শিং] এটা কি একটা সৃজনশীল কাজ হবে? এমনটা হতেই পারে এর আগে কখনও কেউ এমন ইউনিকর্ণের যাদু বাস্তবতা ঘটান নি। কিন্তু এখন প্রশ্ন হ’ল এই ভাবে বিন্দুটা কি? পয়েন্ট অব আইডিয়া কি? যদি কেউ এই রকম কোনও কাল্পনিক ভাব চিন্তা করে থাকেন আর এটিকে নিয়ে এগিয়ে না যান তাহলে কি এগুলো সৃজনশীল?
সৃজনশীল মানুষেরা উদ্দেশ্যমূলক হতেই পারে বৈকি! যেমন- কল্পনা প্রবন কার্যক্রম একটা উদ্দেশ্য অর্জনের দিকে পরিচালিত (যদিও এই উদ্দেশ্য কালক্রমে পরিবর্তন হতে পারে।)

মৌলিকতা?
মৌলিকতা বলতে আমরা কি বুঝি? আমরা কি বোঝাতে চাই আর বা পারি মৌলিকতা দ্বারা যখন আমরা শিক্ষার্থীর জানাশোনার বিষয়ে বলি? মৌলিক কি তাদের আগের কাজের সম্পর্ক? অন্যান্য শিক্ষার্থীর কাজ? সেই কাজ যা পাবলিক বা জনগণের স্বীকৃতি অর্জন করেছে? যখন পিউপিলেরা একটা কবিতা লিখছে কোরিও গ্রাফিং করেছে নৃত্য বা নাচে অথবা উপস্থাপনা করেছে চিত্রকলা, তাদের কাজ হতে পারে ইউনিক বা অনন্য যদি এটা তাদের আইাডয়া বা ভাব এবং অনুভূতিকে প্রকাশ করে। কিন্তু সে সব কাজের বেলায় কি হবে যেগুলোর বিষয় বিজ্ঞান, ইতিহাস এবং অংক? যখন এটা হবে আশ্চর্য জনক কোনও পিউপিল যদি নতুন কেনও বৈজ্ঞানিক নীতির আবিষ্কারক হবার প্রথম গৌরব অর্জন করে, যেটা সচরাচর ঘটেনা। এটার মানে কি এই হবে যে এসকল বিষয়ে পিউপিলেরা সৃজনশীলহতে পারে না?
‘এটা কি উপকারী’
কখনও কখনও শিক্ষকবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীদের মতামত যেটা যথা যোগ্য এবং মূল্যবান সেটার ব্যাপারে দ্বিমত বা বিতর্ক থাকতেই পারে। বিচার বোধের অংশীদারত্ব উপকারী অন্তদৃষ্টি দিতে পারে সেখানে যেখানে যা অন্য লোকেরা মূল্যায়িত করে। একটা কোনও কাজ হতেই পারে উচুঁদরের কল্পনাপ্রবণ এবং
আতি উৎসের মৌলিক, কিন্তু ক্ষতি করতে পারে কারওকে কিংবা কোনও কিছু ধ্বংশ করে দিতে পারে। আমরা কি সুখী হবো এই ধরণের সৃজনশীলতায়?

কেন সৃজনশীলতা এত গুরুত্বপূর্ণ?
শিক্ষার্থীরা যারা সৃজনশীল নিয়ে ভাবতে উৎসাহিত বোধ করে স্বাধীনতায় সৃজশীলতায় চিন্তা করে তারা হল; অধিক অন্তরাসী আগ্রহী তাদের নিজেদের জন্য বস্তুপুঞ্জ আবিষ্কারে অধিক উন্মুক্ত নব নব ভাবধারার দিকে আগ্রহী অন্যদের সংগে কাজ করার ব্যাপের যাতে নব নব ভাবধারা সমূহকে আত্মস্থ ও অর্জন করা যেতে পারে। প্রশ্ন করা এবং চ্যালেঞ্জ করা যোগাযোগ স্থাপনা করা এবং সম্পর্ক সমূহ দেখা ধারণা করা কী হতে পারে ধ্যান ধারণা করা কী হতে পারে ধ্যান ধারণা বা আইডিয়া সমূহ আহরণ করা, বিভিন্ন সুযোগ সুবিধে পছন্দ মতামতের দরজা খোলা রেখে আইডিয়া বা ভাবধারার ওপরে সমালোচনামূলক আলোক প্রক্ষেপন করে। কার্যক্রম ও ফলাফলসমূহকে প্রতিবিম্বিত করে।

প্রশ্ন করা এবং চ্যালেঞ্জ করা?
সৃজনশীল শিক্ষার্থীরা হলেন অনুসদ্ধিৎসু, প্রশ্ন করেন চ্যালেঞ্জ করেন এবং চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন দস্তর মাফিক এবং সব সময়ই অতো নীয়মনীতির ধার ধারেনা। তারা জিজ্ঞেস করেন কেন? কেমন করে এটা কি? জিজ্ঞেস করেন, অপ্রচলিত প্রশ্নমালা সাড়া প্রদান করেন অপ্রচালিত প্রশ্নমালা সাড়া প্রদান করেন আইডিয়ায় প্রশ্ন সমূহে প্রদেয় কাজে অথবা সমস্যায় যদি এক অতি দেওয়া ধরণে চ্যালেঞ্জ কনভেনশন এবং তাদের নিজেদের এবং অন্যদের ধারণা সমূহে চিন্তা স্বাধীনভাবে।

যোগাযোগ স্থাপন এবং সম্পর্কসমূহ দেখা?
সৃজনশীল লোকেরা চিন্তা করেন সংযুক্তভাবে, না ছোড়ে লেগে থাকার বস্তুপুঞ্জের মধ্যে সহবাসিতা তোলেন যেটি সাধারণত সংযুক্ত নয়। তারা স্বিকুতি প্রদান করেন তাদের জ্ঞানের তাৎপর্যকে এবং অতীত অভিজ্ঞতাকে প্রতীক রূপক উপমা বা এ্যানালোজী এবং উৎপ্রেক্ষা ব্যবহার করেন তথ্য এবং অভিজ্ঞতাকে সাধারণকিরণ করেন প্রবনতা এবয় প্যাটার্নের অনুসন্ধানে পূণঃব্যাখ্যা করেন তাদের শিক্ষাকে অধীত জানা শেখানে নতুন নতুন অনুষঙ্গে। তাদের ভাবধারাকে যোগাযোগে নিয়ে আসেন নোভেল বা অপ্রত্যাশিত অচিন্তনয় পন্থায়।

কী হতে পারে সে সম্পর্ক পূর্ব ধারণা?
সৃজনশীল লোকেরা সম্ভাব্যতা সম্পর্কে পূর্ব ধারণা করেন, তারা কল্পনা করেন, খনশ্চক্ষুতে বস্তু নিরীক্ষণ করেন দ্যাখেন এবং পর্যবেক্ষন করেন সম্ভাবনা সমূহ সমস্যা সমূহ এবং চ্যালেঞ্জ গুলো জিজ্ঞেস করেন এটা কি?
ভাবনায় দ্যাখেন এবং চিন্তা করেন বস্তুপূঞ্জ সম্পর্কে বিভিন্ন দৃষ্টি কোন থেকে এবং বিভিন্ন রকমে।

ভাবধারা আহরণ, মনোনয়নকে উন্মুক্ত রেখে?
সৃজনশীল লোকেরা সম্ভাবনা সমূহকে আহরণ করেন উন্মুক্ত রাখেন তাদের বাছাই সমূহ এবং শেখেন কেমন করে অনিশ্চিত উ™ভুত পরিস্থিতির সংগে পেঢ়ে ওঠা যেতে পারে যেটা সংগে নিয়ে তার সংগে খাষ খাওয়াতে অথবা কুলয়ে উঠতে। তারা ক্রীড়া করেন ভাবধারার সংগে, নব নব নীরিক্ষায় চেষ্টা করেন বিকল্প ধারা সমূহকে এবং তরতাজা নবীন এ্যাপ্রোচ সমূহে দ্যানযোগে আত্মস্থাতায় এবং বিশ্বেস করেন তাদের এবং সমস্যা সমূহ অতিক্রম করেন একটা ভাবধারা অবলম্বনে খোলা রাখেন খোলামন, সৃষ্টিশীল ফলাফল অর্জন করার জন্য পরিগ্রহণ এবং সংশোধন করেন তাদের আইডিয়া বা ধ্যান ধারণা সমূহ।

ধ্যান ধারণা বা আইডিয়া সমূহের ওপরে সমালোচনামূলক প্রতিবিম্বন ঘটান আলোক ছায়া ক্ষেপন করেন কার্যক্রমসমূহ এবং ফলাফল সমূহের ওপরে সৃজনশীল লোকেরা সমালোচনামূলক মূল্যায়নে সক্ষম কী তারা করেছেন সে সব বিষয়ে সম্পর্কে তারা অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন প্রশ্ন করতে পারেন যে, এটা কি ভাল হল এটা কি সিইটে যেটির প্রয়োজন ছিল খুব? ফিডনেক বা সাড়া প্রদানকে স্বাগত জানান এবং গ্রস্থ করেন এটা জরুরী সত্যি। গঠনমূলক মন্তব্যে এগিয়ে আসেন সতত: ভাবধারা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ এবং কাজ করার উপায় বা পন্থাসমূহ।

আদি উৎস মৌলিকতা এবং মূল্যবোধ সম্পর্কে পরিগ্রহণ মূলক দৃষ্টিভঙ্গি তথা দর্শন তৈরী করাশক্ষাকগণ সৃজনশীল প্রোমেট করেন? এই সেকশনের বর্ণিত হচ্ছে শিক্ষকেরা কেমন করে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতাকে উস্কিয়ে দিতে পারেন। উৎসাহিত করতে পারেন তাদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে। এখানেই অর্ন্তূক্ত শট ভিডিও ক্লিপ শিক্ষকদের আলোচনা সুবিধার্থে। এ ব্যাপারে তাদের প্রক্রিয়ায় (সৃজনশীলতাকে সৎসাহ দান এবং এই স্থত ব্যাপারে বাস্তবে চর্চায়) নিয়ে আসা জরুরী বিশেষত ক্লাস রুমে।
কখনও পরিকল্পনা, কখনও রুমোদাগর এর আরম্ভন কখন শিক্ষা চর্চা কখনও কাজের মূল্যায়ন পূর্নমূল্যায়ন।

কখন পরিকল্পনা?
সৃজনশীলতার উদ্দেম্যে সমূহ গড়ে তুলুন (আপনার পরিকল্পনার মধ্যে। বিষয় নির্ভর উদ্দেশ্যে সমূহ দ্বারা এগুলোকে আপনি সংগ্রহিস্থ করতে পারেন এবং নিরন্তর নিরীক্ষাধর্মিতা গ্রহণ করা যেতে পারে। পাঠ্য আপনার পরিকল্পনা এবং বর্তমান কাজের স্কীম সমূহে সৃজনশীলতাকে সঞ্চারিত করতে সুদিনের দিকে তাকিয়ে থাকুন; অপক্ষো করুন অনুক’ল সুযোগ সুবিধের। আপনি কি কোন কার্যক্রমসমূহকে খাপ খাওয়াতে পারেন যাতে করে সেগুলো অধিকতর সম্ভাবনা রসদ জোগাতে পারে সৃজনশীলতার নিমিত্তে। ব্যক্তিক এবং সাংস্কৃতিক ভাবে খাটিঁ কার্যাবলিকে নবায়িত করে নতুন ধারায় প্রবাহিত করুন। শিক্ষর্থীদের উৎসাহ এবং অভিজ্ঞতাসমূহ এর ওপরে গড়ে তুলতে চেষ্টা করুন। গড়ে তুলুন কোথায় তাদের মজা! (স্কুলের ভেতর এবং বাহিরে উভয় জায়গাতেই)। শিক্ষার গতি পরিকল্পনা করুন। শেখার শৈলীর ও। যাতে করে যত বেশী সম্ভব শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীলতা প্রকাশ এবং প্রদর্শেন সুযোগ পায়। এ ব্যাপারে যথাযত ভূমিকা পালন করতে পারে এবং নব নব ভাবধারাকে আহরণ করার স্বাধীনতা দিতে পারে তাদেরকে। নিশ্চিত করতে পারে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় নতুন চিন্তাকে নিশ্চিত করতে পারে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় নতুন চিন্তাকে আত্মস্থ করার আনুকূল পরিবেশ। নব নিরীক্ষার ক্রম বধিষ্ণু হাত, সমস্যা সমাধানের আকুলতা, আলাপ আলোচনা এবং সহযোগিতামূলক পারস্পরিক সহমর্মী কর্ম প্রনোদনা ও উদ্দ্যোগ এ সমস্ত কিছুই সৃজনশীল চিন্তা ও আচার আচরণের নিমিত্তে চমৎকার সুযোগ সুবিধে সৃষ্টি ও নিশ্চিত করতে পারে। জ্ঞান এবং দক্ষতার গুরুত্বের দৃশ্য সীমার কে হারাবেন না কখনও। শিক্ষার্থীগণ তখনই সক্ষম হবে সৃজনশীলতায় নিয়োজিত হবে এভং ফল প্রসুভাবে তাদের বিঘœকে মোকাবেলা করার চ্যালেঞ্জ গ্রহণে যদি তারা অর্জন করতে পারে জ্ঞান এবং দক্ষতার শক্ত ভিত্তি।

যখন কার্যবলীর মুখোমুখি?

শিক্ষার্থীদেরকে পরিচ্ছন্ন গন্তব্য বা লক্ষ্য সম্পর্কে দিক নির্দেশনা প্রদান করুন; যে লক্ষ্য চ্যালেঞ্জ হলেও অর্জন সম্ভব। শিক্ষার্থীদের সংগে উদ্দ্যেসমূহের অংশীদারিত্ব করুন এবং তাদেরকে সুযোগ দিন কাজের পন্থা বাছাই করার। কেমন করে কাজের দিক সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবার সুবিধে দানের নিশ্চয়তার ব্যবস্থা করুন।
আরম্ভ বিন্দুকে উদ্দীপিত করুন। যেমন দৃশ্য সীমাস্থান শব্দধ্বনি, গন্ধ পরিদর্শন এবং যোগাযোগ সৃজনশীল লোকজনের সংগে শিক্ষার্থীদের আন্তরাসকে কল্পলোক সৃজন প্রতিভাকে। সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা সমূহ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদেরকে সজাগ করে তুলুন (উদাহরণ স্বরূপ সময়ের সীমাবদ্ধতা এবং/কিংবা সম্পদের)। অধিক এ্যাপ্রোচসম্বলিত কার্যক্রম তৈরী করতে পারে এটা। এবং নিরন্তর বিকাশ ও নিরীক্ষায় শিক্ষার্থীগণকে উৎসাহিত করতে পারে।

কখন শিক্ষা ?
প্রশ্ন করতে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্রিয়ভাবে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহ যুগিয়ে যান।কী গহতে পারে সে সম্পর্ক পূর্ব ধারণা করুন এবং ধ্যান ধারণা আহরণ করুণ। কল্পনা প্রবণতা এবং আদি উৎস মৌলিতদা তুরান্বিত ও পুরস্কৃত করুন।

খোলাখুলি প্রশ্ন করুন (অসীমাবদ্ধ অগ্রীম লক্ষ্য তারিখ সম্বালিত) যেমন কেন যদি? কেন এটা? এবং কেমন করে আপনি? বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বস্তবিশ্ব নিরীক্ষণে শিক্ষার্থীগণকে সাহায্য করা।

মূল্যায়ন এবং প্রশংসা করুন যা কিছু শিক্ষার্থীরা করে এবয় বলে। এমন একটা পরিবেশ পরিমন্ডল প্রতিষ্ঠা করলে যেখানকার তারা বস্তু সম্পর্কে কথাবার্তা বলতে নিরাপত্তা বোধ করতে পারে। ঝুঁকি বহন করতে পারে এবং সৃজনশীল ভাবে সাড়া প্রদান করতে পারে। একটা মজা তৈরী করুন, কাজের পরিবেশকে রিল্যাক্সড বা অভিযাত্রিক এবং স্বাধীনভাবে ভাবধারা সমূহকে আহ ণে উৎসাহিত করতে চান।

শান্তিপূর্ণ প্রতিবিম্বন এবং ধ্যানস্থতার উপযোগী শর্ত তৈরী করুন যদি আপনি শিক্ষার্থীদেরকে সৃজন কল্পে কাজ করতে উৎসাহিত যোগাতে চান অঙ্কিত ঘটনা ব্যাপারে সর্ব্বোচ্চ প্রস্তুতি থাকুন। যখন মনে করবেন সঠিক, আপনার শিক্ষাদান পরিকল্পনা কে সংগ্রন্থিত করুন এবং সময়ের সংগে অগ্রসর হোন কিন্তু কখনই হারাবেন না আপনার সার্বিক শেখা ও শিক্ষন উদ্দেশ্যাবলীর দৃশ্যস্থান সীমা।

প্রয়োজনে পেছনে দাঁড়াতে হলেও সে ব্যাপারে সদিচ্ছুক থাকুন এবং শিক্ষার্থীদেরকে নেতৃত্ব দিতে সুযোগ দিন। যা হোক নিশ্চিত করুন যে আপনি সব সময় কাছাকাছি আছেন প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা বাতলাতে এবং প্রয়োজনানুযায়ী সমর্থন যোগানের সুযোগ সুবিধে সুষ্টির জন্য।

কার্যাদির সংগে সংগে লগ্ন থাকুন এবয় সৃজনশীল চিন্তা ভাবনা ও আচার আচরণের মডেল বা আদর্শায়িত রূপরেখা গড়ে তুলুন। শিক্ষার্থীদেরকে দেেেখন যে আপনি ও একজন শিক্ষার্থী একটা মুক্তমনা গঠনমূলক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারেন। তাদের ক্লাস বছর গ্রুপ থেকে বিভিন্ন বয়সে গ্রুপ থেকে অন্যদের সংগে কাজ করতে শিক্ষার্থীদেরকে সুযোগ দিন।

যখন মূল্যায়ন পর্যালোচনা করেছেন কাজের ?
শিক্ষার্থীদেরকে সাহায্য করুন ক্রাইটেরিয়া (সুশর্ত) বিকাশের ব্যাপারে যে তারা বিচার বিশ্লেষণ সক্ষম তাদের নিজেদের কাজ কমর্রে মূল্যায়ন তারা করতে পারে বিশেষ করে এর আদি উৎস মৌলিকতা এবং মূল্যবোধের (প্রশ্ন করার মতই এটা হতে পারে সহজ সরল কি সে ভাল হয়?

নিয়মিত ভাবে থামুন সমস্যাসমূহের খোলামেলা আলোচনার জন্য শিক্ষার্থীরা যে গুলোর মুখোমািখ হচ্ছে প্রতিদিন এবং কেমন করে তারা সেগুলোর সমাধান করবে সে সম্পর্ক আলোচনার দুয়ার উন্মুক্ত রাখুন। অন্যদের সংগে ধ্যান ধারণার অংশীদারিত্বের ব্যাপারে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করুন তাদের সমূহ অগ্রগতি সম্পর্কে কথা বলুন।

তাদের কাজের মধ্যে নিহিত বিভিন্ন গুনাবলরি প্রশংসা করতে শিক্ষার্থীদেরকে সাহায্য করুন এবং মূল্যায়ন করুন সেই সব কাজের পন্থা সমূহকে যেগুলো তাদের নিজেদের গুলোর চেয়ে স্বতন্ত্র।
গঠনমূলক সাড়াপ্রদান গ্রহণ করতে এবং দিতে শিক্ষার্থীদেরকে সাহায্য করুন।

কাজের প্রকৃতি ?
ভিস্যুয়াল শিল্পীগণ শিল্প সৃষ্টি করেন ভাবধারা চিন্তা চেতনা অথবা অনুভূতিকে যোগাযোগে নিয়ে আসার জন্য। তারা ব্যবহার করেন বিভিন্ন রকম পদ্ধতি- চিত্রকলা, ভাষ্কর্য অথবা ইলাসট্রেশন (অলংকরণ) এবং বস্তুপুঞ্জের স্তুপ যার মধ্যে অর্ন্তভূক্ত তেল, জলরং এক্সেলিক্স, প্যাস্টেল, পেন্সিল, কলম এবং কালি, প্লাষ্টার, কাদা এবং কম্পুটার। ভিস্যুয়াল শিল্পীগণের কাজ হতে পারে মূর্ত, শৈলীময় কিংবা বিমূর্ত হয়তবা অংকন করতে পারে উদ্দেশ্যমূলকতা লোকজন সাধারণ, নির্সস অথবা ঘটনাবলী। ভিস্যুয়াল শিল্পীগণ সাধারণত তিন ধরণের ক্যাটাগরিতে পড়েন। ফাইন-আর্টের শিল্পীগণ আত্মপ্রকাশের জন্য তাদের নিজেদের প্রয়োজন পরিতৃপ্তির জন্য শিল্প সৃষ্টি করেন। অলংকরন শিল্পী এবং গহ্রাফিক্স ডিজাইন এবং প্রকাশনী সংস্থা। [গ্রাফিক্স ডিজাইন তথা ডিজাইনারগণ আলোচিত হয়েছেন আলাদা হ্যান্ডবুক বর্ণনায়]

ফাইন-আর্টিস্টগণ তাদের কাজকে ডিসপ্লে করেন যাদুঘরে বাণিজ্যিক আর্ট গ্যালারিসমূহে, কর্পোরেট সংগ্রহে এবং ব্যক্তিগত গৃহ সজ্জায়। তাদের কিছু কিছু শিল্পকর্ম কমিশন করা যেতে পারে যে গুলো করা হয় মক্কেলদের কাছে থেকে আসা অনুরোধের ভিত্তিতে অবিশ্য অর্ধিকাংশ ক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিতে বিত্রি হয় প্রাইভেট আর্ট গ্যালারি অথবা ডিলারদের মাধ্যমে। গ্যালারি এভং শিল্পী স্বয়ং মিলে পূর্ব নির্ধারণ করেন যে একটি চুক্তি ভিত্তিক বিক্রি থেকে এর একেকটি কত আয় করবে। কেবল মাত্র দারুনভাবে সফল ফাইন আর্টিস্টগণই শুধুমাত্র নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম তাদের কাজের বিক্রির মাধ্যমে। শিল্প কর্ম বিক্রির টাকায় তারাই কাজের কেবলমাত্র নিজেদের সমর্থন করতে পারেন। অনেক ফাইন-আর্টিস্ট অবিশ্য অন্যান্য চাকুরি বাকুরী করে থাকেন জীবিকা নির্বাহের জন্য। যাদের শিক্ষাকতার সার্টিফিকেট রয়েছে তারা প্রাথমিক অথবা সেকেন্ডারী স্কুলে মাস্টার্স ডিগ্রি কিংবা ডক্টরেট ডিগ্রী রয়েছে তারা আর্ট কলেজে অথবা বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে শিক্ষকতা করতে পারেন। কিছু কিছু ফাইন আর্টিস্ট শিল্প প্রশাসনে নিয়োজিত আছেন, স্থানীয় রাজ্যে অথবা যাদুঘরে অথবা আর্ট গ্যালারিগুলোতে ফাইন-আর্টিস্ট পরিচালক কিংবা ডক্টরেটর জি=হসাবে যারা পরিকল্পনা করেন যে কেমন করে করা যায় শিল্প প্রদর্শনী আয়োজন। এ সকল শিল্পীদের কেউ কেউ বিভিন্ন সংবাদপত্রে শিল্প সমালোচক হন অথবাবনে যান ম্যাগাজিনের তুখোড় গবেষক, এবং কেউ কেউ প্রাতিষ্ঠাসিক সংগ্রাহক অথবা ফাউন্ডেশনের কনসালট্যান্ট দায়িত্ব পালন করেন। ফাইন আর্টিস্টগণ আবার ব্যক্তিগতভাবে শিল্প শেখান। প্রাইভেট ট্যুশনি থাকে মোট কথায় বলে। ফাইন আর্টিস্টকে অবশ্যই এক ধরণের অসংলগ্ন ক্ষেত্রে কখনও কাজ করতে হয় আর্ট ক্যারিয়ারকে সাপোর্ট দেবার জন্যে।

ফাইন আর্টিষ্টগণ কাজ করেন স্বাধীনভাবে। সাধারণত ফাইন আর্টিন্টগণ বিশেষজ্ঞ হন একটা দুটো শিল্প আঙ্গিকে। যেমন পেইন্টিং (অংকন) স্কাল্পটিং (ভাষ্কর্য বৎ) ছাপচিত্র মুদ্রণ মাধ্যমে এবং সংগ্রহ সংরক্ষণ। অংকন শিল্পীগণ দ্বি-মাত্রিক শিল্পাঙ্গীকে কাজ করে থাকেন। এই সকল শিল্পী ব্যবহার করেন আলোছায়ার কারুকাজ, পরিপ্রেক্ষিতের যেটি দাসী এভং রঙ। এগুলো দিয়ে তৈরী করেন সেই শিল্পকর্ম যেটি ফুটিয়ে তোলে দৃশ্যমান মূর্ত অথবা বিমূর্ত াভিব্যক্তি বিভিন্ন মেজাজ ও অনুভূতি ভাবকে জাগিয়ে ওঠাতে।
ভাষ্করগণ ডিজাইন করেন গ্রি-মাত্রিক শিল্প আঙ্গিকের হয় মন্ড করে আর দ্রব্যাদি একত্রিত করে যেমন কাদা কাচ তার প্লাষ্টিক, ফেব্রিক্স অথবা ধাতু অধবা প্লাষ্টারের ব্লক থেকে কেটে কার্ভ করে বের করা আঙ্গিক। কাঠ অথবা পাথর কুদেঁ শিল্পের স্বরূপ মূর্ত মুর্তিমান সৃষ্টিকে বের করে নিয়ে আসছেন শিল্পী ভাষ্কর। কিছু কিছু ভাষ্কর বিভিন্ন উৎপাদন যোগাঢ় যন্ত্র করে তৈরী করেন মিশ্র মাধ্যমে কর্ম। সৃজনশীল তো বটেই। সম্প্রতিক বছর গুলোতে কিছু কিছু ভাষ্কর তাদের কাজে যুক্ত করেছেন আলোক সজ্জা, শব্দধ্বনী নিয়ন্ত্রনী এবং এক অতি আশ্চর্য গতিশীলতা।

মুদ্রণ শিল্পীরা সৃষ্টি করে থাকেন প্রিন্টিং ইমেজ পাথর, ধাতু কিংবা কাঠ কেটে অথবা ত্রচিং করে ডিজাইন থেকে। তারা ব্যবহার করেন স্বচ্ছন সম্পদশালী এবং পরিষ্কার এজেটেক, সারপেস বা ভূমিতল পরিষ্কার করার জন্য পূর্ণ অথবা রিচার্চ করার জন্য ধ্বংস হয়ে যাওয়া এলাকা। ডিজাইন কাটার পরে, পাথর অথবা কাঠ ব্লকের সারফেসে কালি লাগান শিল্পী এবং রোল করেন অথবা কাগজের ওপরে এটাকে স্টগম্প করেন। ছাপ অভিব্যাক্তি কাগজের ওপরে এটাকে কিছু কিছু প্রিন্টমেকার বা মুদ্রনশিল্পী গ্রাফ মোতাবেক ডাটা বা তথ্য এনকোড করে কম্পুটার। কম্পুটার প্রযোজিত ইমেজ বা নূপকল্পআদি ছাপা হয় বিশেষত লোড করা সফটওয়্যার দ্বারা অথবা ইলেক্ট্রনিক্স ভাবে ট্রান্সমিট করা হয় যেতে ইন্টারনেট দেখা যেতে পারে। যাহোক এসব কিছুই করা হয় প্রিন্টার্সকে ব্যবহার করে।

পেইন্টিং বা চিত্রকলা সংগ্রাহকেরা সংগ্রহ স“ক্ষন এবং মজুদ করেন ধ্বংশ হওয়া আর ফেড হয়ে যাওয়া পেইন্টিং সমূহ। তারা নিয়োজিত করেন স্বচ্ছল এবং পরিষ্কার এজে› দেরকে সারফেস পরিষ্কার করতে, পূর্ণগঠন এবং রিটার্চ করুন ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা এবং প্রয়োগ করেন সংরক্ষণ সামগ্রী চিত্রকলাগুলোকে রক্ষা করার জন্য এগুলো খুবই প্রত্যাশা শ্রমিকতার কাজ এবং সাধারণত সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের দ্বারা সংরক্ষিত।

অলংকরণবিদগণ (ইলাষ্ট্রেশটর) ছবি অংকন বা পেইন্টে করেন বই, ম্যাগাজিন এবং অন্যান্য প্রকাশনার জন্য ফিল্ম বা চলচ্চিত্রের জন্য পেপার প্রোডাক্ট এর জন্য যার মধ্যে অন্তভূক্ত র‌্যাপিং পেপার ষ্টেশনারী, গ্রেটিং বা উপহার কার্ড এবং ক্যালেন্টার। কিছু কিছু কাজ কম্পুটার ব্যভহার করে করা হয়ে থাকে, যেটা ধ্যান ধারণা সমূহকে ইলেকট্রনিক্স উপায়ে মক্কেলদের মধ্যে ডাক যোগাযোগ ব্যভহার সুবিধে নিশ্চিত করে অথবা ইন্টারনেটে দেওয়া যেতে পারে। এসকল শিল্পীরা অনেকেই বিচিত্র রকমের অলংকরণ করেন, সেখানে অন্যেরা কোনও একটা বিশেষ শৈলীতে বিশেষজ্ঞ যেমন মেডিক্যাল ইলাসট্রেশন, ফ্যাশন ইলাস্ট্রেশন, কার্টুন অথবা এনিমেশন।

কিছু কিছু ইলাসষ্ট্রেটর স্টারিবোর্ড অংকন করেন টেলিভিশন কমার্শিয়ালের জন্য চলচ্চিত্র এভং এনিমেটেড ফিচার সমূহের জন্য। (এনিমেশন ফিচার গতিশীল কাহিনী চিত্র তথা কার্টুন চিত্রের জন্য স্টোেিবার্ড উপস্থাপন করে টেলিভিশন কমার্শিয়াল সমূহ একঝাক দৃশ্যাবলী নিয়ে। যেগুলো অনেকটা কমিক স্টাইপের মতন। এইভাবে বিজ্ঞাপনী এজেন্সীকে সাহায্য করে প্রস্কাবিত বিজ্ঞাপনীকে মূল্যায়ন করতে সেই কোম্পানীর সংগে সেই কোম্পানী বিজ্ঞাপন করেছে। স্টোরিবোর্ড আরও অনেক কিছু করে থাকে যেমন অভিনেতাদের যথাস্থানে সংস্থাপিত করতে গাইড হিসাবে কাজ করে ক্যামেরাকে বসায় যথাস্থানে এবং অন্যান্য প্রত্যংশ কাজকে সিজিল মিছিল করে কর্ম শিয়ালগুলো নির্মানের সময়ে।

মেডিক্যাল এবং বিজ্ঞাভিত্তিক অলংকরনবিদগন শৈল্পিক দক্ষতাকে শরীর বৃত্তিক বিজ্ঞানকে জ্ঞানের সংগে সংলগ্নীভূক্ত করেন। মেডিক্যাল ইলাস্ট্রেটরগণ মানবীয় এ্যানাটমি এবং শল্য চিকিৎসার প্রক্রিয়া সমূ কে অংকন করে থাকেন। বিজ্ঞানভিত্তিক অলংকরণবিদগন অংকন করেন পশুপাখি এবং গাছপালা। এইসকল ইলাষ্ট্রেশন বা অলংকরণ ব্যবহৃত হয় মেডিকেল এবং সায়েন্টিফিক প্রকাশনা সমূহে এবং অডিও ভিস্যুয়াল প্রেজেন্টশনে বিশেষ উদ্দেশ্যলক্ষ্যী শিক্ষার জন্য। মেডিকেল ইলাসষ্টে্রুটরগণ আরও কাজ করেন আইনবিদদের জন্য বানাতে।

ফ্যাশন শিল্পীগণ মহিলাদের ইলাসষ্ট্রেশন অংকন কখনও বা মানুষজন এবং ছেলেমেয়েদের পোষাক পরিচ্ছদ এবং সংবাদপত্র আনুষঙ্গিকতার ম্যাগাজিনের এবং অন্যান্য মাধ্যমের জন্য।
কার্টুনিষ্ট অংকন করেন রাজনৈতিক, বিজ্ঞাপনী, সামাজিক এবং ক্রীড়া বিষয়ক কার্টুন। কিছু কিছু কার্টুনিষ্ট কাজ করেন অন্যান্যদের সংগে যারা সৃষ্টি করেন আইডিয়া বা ভাবধারা গল্প গাছা এবং লিখে থাকেন ক্যাপশন বা শিরোনাম। অধিকাংশ কার্টুনিষ্ট যা হোক বেশ কৌতুকী সমালোচনাপ্রবণ অথবা নাটকীয় মেধা সম্পন্ন। যেগুলো তাদের অংকন দক্ষতার ও অতিরিক্ত প্রতিভা।

এনিমেটরগণ কাজ করে থাকেন মোশন পিকাচর্স এবং টেলিভিশনে ইন্ডাষ্ট্রিতে। তারা অংকন করেন হাত দিয়ে এবং ব্যবহার করেন কম্প্যুটার বৃহৎ সিরিজের পিকচার তৈরী করতে, যা ফিল্মে টেপে স্থানাস্তর করলে, রূপ পরিগ্রহণ করে এনিমেটেড কর্টুনের। অত:পর যেগুলো দ্যাখা যায় চলচ্চিত্রে এবং টেলিভিশনের গ্রাফিক ডিজাইনারগণ বিচিত্র রকমের ছাপচিত্রের ব্যভহার করে থাকেন, ইলেকট্রনিক এবং চলচ্চিত্র বা ফিল্ম মাধ্যমে ডিজাইন সমূহ সৃষ্টি করতে যেগুলো মক্কেলদের চাহিদা মেটায় অধিকাংশ গ্রাফিক ডিজাইনার ব্যভহার করেন কম্পুটার সফটওয়্যার নতুন নতুন ইমেজ জেনারেট করতে। তারা প্রোমেশনাল ডিসপ্লের ডিজাইন করেন মার্কেটিং ব্রুশারের ডিজাইন করেন উৎপাদিত দ্রব্য সম্ভার এবং সেটার জন্য। বিকাশ ঘটান বৈশিষ্ট্যমূলক কোম্পানী লোগোর উৎপাদিতের এবং ব্যভসার জন্য এবং অন্যান্য কর্পোরেট লিটারেচার। অন্যান্য কর্পোরেট লিটারেচারের ভিস্যুয়াল ডিজাইন। অধিকন্তু গ্রাফিক্স ডিজাইনারগণ সাধারণত ডিজাইন অথবা আর্ট ডিরেক্টরের তত্ত্বাবধাানে ম্যাগাজিন সংবাদপত্র, জার্নাল, কর্পোরট রিপোর্ট সমূহ এবং অন্যান্য প্রকাশনার ডিজাইন এবং ইন্টারনেট ওয়েবের সাইটের লে-আউট এবং গ্রাফিক্স এর প্রস্তুত বা উৎপাদন করেন ক্রেডিট যা অবতীর্ণ হয় টেলিভিশনের প্রোগ্রাম এবং মুভির আগে ও পরে। ফি-ল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনারগণ প্রতিস্থাপন করেন তাদের শৈল্পিক দক্ষতা এবং দুরদৃষ্টি প্রোজেক্ট বাই প্রোজেক্ট এর সমাহারে ওপরে। এটা করেন কাজ করার জন্যআ যখনই তাকে কাজ করতে হয় অন্যান্য কোম্পানীগুলোর সংগে চুক্তিভিত্তিতে।

শিল্প পরিচালকগণ কনসেপ্ট ডিজাইনের বিকাশ সাধন করেন এবং সেই সব মেটেরিয়াল রিভ্যূ করেন যেগুলো প্রকাশিত হবে সাময়িকীতে, দৈনিক সংবাদপত্রে এবং অন্যান্য মুদ্রণ বা দৃশ্যমান মাধ্যমে। তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন কত ভালভাবে তথ কে দৃশ্যমান করে উপস্থাপন করা যেতে পারে। সুতরাং এটা দৃষ্টিগাহ্য, আবেদন ময়ী এবং সুসংগঠিত। কোন সব ফটোগ্রাফ অথবা শিল্প কর্মকে ব্যবহার করতে হবে এ ব্যাপারে তারা সিদ্ধান্ত তৈরী করেন এবং পরিনিরীক্ষণ করেন লে-আউট ডিজাইন এবং প্রিন্টিড মেটেরিয়ালের প্রোডাকশন। আর্ট-ডিরেক্টরগণ গ্রাফিক্সসমূহের রিভিউও করতে পারেন যেটা আবির্ভূত হয় ইন্টারনেট।