প্রতিশ্রুতিশীল, বিনয়ী আসিফ হোসেন ডন জনপ্রিয়তার শীর্ষে

124

নির্বাচন প্রতিবেদক: ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আর মাত্র ২দিন বাকি। প্রচার-প্রচারনার শেষ মূহুর্ত্বে সবাই হিসেবের খাতা মেলাতে শুরু করেছেন। কে হবেন বিজয়ী?

অন্যদিকে ভোটাররা এ বছর খুব ভারিক্কি ভাব নিয়ে বসে আছেন। ভাবটা এরকম যে, যেদিক থেকে বৃষ্টি আসছে সেদিকেই ছাতা মেলে ধরছেন; যেই ভোট চাইছেন, তাকেই আশ্বস্ত করছেন কিন্তু মনে মনে স্থির করে রেখেছেন ভোটটা কাকে দেবেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ফলে ভোটার এখন অনেক সচেতন। মিঠে কথায় চিড়ে ভিজবে না, এ পলিসি নিয়েই সবাই ৫ তারিখের শেষ মুহুর্ত্বের জন্য অপেক্ষা করছেন। কেননা, এ বছরের নির্বাচন গতানূগতিক কোন পৌর নির্বাচনের মত নয়। ময়মনসিংহ এখন রীতিমত বিভাগীয় শহর, সিটি কর্পোরেশন। বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্য সর্বকনিষ্ঠ এই ময়মনসিংহ সিটিকে নিয়ে সাধারণ মানুষদের অনেক স্বপ্ন ও প্রত্যাশা। বর্ধিত ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের একেকটি ওয়ার্ড কাউন্সিলর মানে একটি করে উন্নয়ন স্তম্ভ । ফলে নতুন সিটি কর্পোরেশনের বৃহত্তর স্বার্থে সবাই নতুন করেই ভেবেছেন নিজেদের এলাকা, ওয়ার্ড ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিয়ে। একজন ভোটারের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ভেস্তে যেতে পারে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, তাই কোনভাবেই যেনো ভুল না হয় সেই বিষয়ে শিক্ষিত মানুষরাও ভোটারদের সচেতন করার জন্য মাঠে নেমেছেন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন ৭ নম্বর ওয়ার্ড। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে সরকারি-বেসরকারি অনেক গুরুত্বপূর্ণ অফিস এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের দুশো বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্য স্থাপনাগুলো রয়েছে। তাই এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্য রয়েছে আলাদা চাওয়া, তারা প্রচারের স্ত্রোতের মুখে গা না ভাসিয়ে অপেক্ষায় রয়েছেন সেই যোগ্য জনপ্রতিনিধির, যার পরিকল্পনায়, নেতৃত্বে, পরিশ্রমে সার্বিক উন্নয়য়েনর বহুমাত্রিক সুবিধা পাবে ৭নম্বর ওয়ার্ড।

মোঃ আসিফ হোসেন ডন, সাবেক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-১। তিনি এবারও প্রার্থী হয়েছেন, তার প্রতীক ঘুড়ি। সততা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতায় তিনি বরাবরেই সবার মন জয় করেছেন। বহু বছর ধরে প্রতিনিধিত্ব করা এই সফল পরীক্ষিত মানুষটি এলাকার ভৌত অবকাঠামোগত পরিবর্তন, আর্থ-সামজিক উন্নয়ন, সম্প্রীতি-সহানুবস্থানের পাশাপাশি সকল মানুষদের সুখে-দু:খে মিলেমিশে একাকার হয়ে রয়েছেন।

সাধারণ ভোটাররা জেনে গেছেন মোঃ আসিফ হোসেন ডন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় তিনি সফল এবং প্রতিশ্রুতিশীল।  ফলে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় এ প্রার্থীর প্রতি রয়েছে সবার আকুন্ঠ সমর্থন, বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতা।

ইলেকশন ওয়াচডগের মতে, উন্নয়ন, জনসম্পৃক্ততা, গ্রহণযোগ্যতা এবং নির্ভরতার প্রশ্নে মো: আসিফ হোসেন ডন বরাবরের মত ৭ নম্বর ওয়ার্ডে একজন শক্তিশালী ও বিকল্পহীন প্রার্থী। তাকে পুনরায় বিজয়ী করতে কোমড় বেঁধে মাঠে নেমেছেন সমর্থকসহ সকল স্থরের ভোটাররা।

এলাকার মুদি ব্যাবসায়ী অসিত রঞ্জন বলেন, ‘যেই যায় লংকায়, সেই হয় রাবণ, ভুল করুম না-উন্নয়ন ঠেকাবো না। আমরা আমাদের মনোনীত মানুষকেই ভোট দিমু, যে যত কথাই কউক। রঙ-বেরঙের ফানুস দেখাইয়া লাভ নাই, বুইজ্জাই ভোট দিমু !

শিক্ষক, হোসেন আলী বলেন, এই নির্বাচন কোন গতানুগতিক নির্বাচন নয়, ফলে অনেক ভেবে চিন্তে ভোট দিতে হবে, এখানে গবেষণার কোন সুযোগ নেই, পরীক্ষিত মানুষকেই ভোট দিতে হবে।

ভদ্র, বিনয়ী, সুশিক্ষিত মানুষ মোঃ আসিফ হোসেন ডন। বিগত দিনে নির্ধারিত কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ময়মনসিংহ পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ ছিলেন। মেয়রের অবর্তমানে গত সাড়ে ৭ বছরে বহুবার ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করে সাধারণ মানুষদের মাঝে তার গ্রহণযোগ্যতা ও আস্থা জোরালো করেছেন। আর্ত মানবতার সেবায় হতদরিদ্র ও বিপদগ্রস্থদের পাশে থেকেছেন অবলীলায়। তার এই বদান্যতা মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে রয়েছে কৃতজ্ঞতার নিবিড় পরশে।

সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান আসিফ হোসেন ডন দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বহু আগেই। ফলে তাঁর উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সফলতার ধারাবাহিকতায় তিনি রয়েছেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ৭ নম্বর ওয়ার্ডকে যুগোপযোগী আধুনিক মডেল ওয়ার্ড গঠনের লক্ষ্যে, কাঙ্খিত উন্নয়নের স্বার্থেই আবারও জনপ্রতিনিধি হিসেবে মোঃ আসিফ হোসেন ডনকেই দেখতে চান ভোটার ও সমর্থকরা, তাই তারা বিজয়ের ঘুড়ি, উন্নয়নের ঘুড়ি উড়াতে ৫ তারিখের অপেক্ষা করছেন। সিটি কর্পোরেশনের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নীল আকাশে উন্নয়নের ঘুড়ি উড়বেই এই প্রত্যাশা ওয়ার্ডবাসীর ।

প্রচার-প্রচারণার শেষ মূহুর্ত্বে তিনি বহুল প্রচারিত অনিন্দ্যবাংলা ডটকমকে বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে আমার ওয়ার্ডবাসীর জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছি। চেয়েছি কিভাবে আরো নাগরিক সুবিধা বাড়ানো যায়। অনেক সীমাবদ্ধতার মাঝেও আমি আমার ওয়ার্ডকে উন্নত করার জন্য লড়াই করেছি। তাই ভোটারবৃন্দ ও সমর্থকরা আমাকে পুনরায় চাচ্ছেন। আমি জানি এই ওয়ার্ডের কোথায়, কোনখানে আরো উন্নয়ন সাধন করতে হবে। আমি কিভাবে তা করবো সেটাও পরিকল্পনা করে রেখেছি। ওয়ার্ডবাসীর সকলের সহযোগিতায় ও সকলকে পাশে নিয়ে একটি আদর্শ রোল মডেল ওয়ার্ড উপহার দিতে চাই। সাধারণ জনগণ যদি আমাকে আকুন্ঠ সমর্থন দেন ও ঘুড়ি মার্কায় ভোট দিয়ে প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব দেন, তা হলে আমি আবার নব উদ্দ্যমে কাজ করে যাবো। বিগত দিনে আটকে থাকা উন্নয়নকে আরো গতিশীল ও ত্বরান্বিত করবো। আমি সুখে-দু:খে সব সময় ৭নং ওয়ার্ডবাসীর পাশে থাকতে চাই; সবার পাশে থাকবো, ইনশাল্লাহ। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।।

৫মে, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোটগ্রহণ। দুটি ভোটকেন্দ্রে নারী-পুরুষসহ মোট ভোটার ৭ হাজার ২৮০ জন ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন আগামীর উন্নয়নের কারিগর।