Logo

ডিসিসহ ৪জনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল, ডিসি জানেন না!

অনিন্দ্যবাংলা
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৬, ২০২৩
  • শেয়ার করুন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার চামর্থা গ্রামে হাজারো পরিবারের বসবাস। ওই গ্রামে হাবিবুল্লাহ শেখ ও ওয়াহিদুজ্জামানের যৌথ মালিকানায় তিন বছর আগে শামছুল হক ফাজিল মাদ্রাসার পাশে প্রায় চারশ মিটারের মধ্যে এমবিবি নামে একটি ইটভাটা স্থাপন করেন। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই ইটভাটা ভেঙে দেয়া হলে নাম বদলে বিবিবি নামে আবার ইটভাটা স্থাপন

রুলজারির বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজার রহমান বলেন, আমি হাইকোর্টের নোটিশটি এখনো পাইনি। গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদুর রহমান ৩ এপ্রিল ইটভাটায় গিয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন এবং ইটভাটা বন্ধের জন্য নোটিশ দিয়েছেন।

গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবিদুর রহমান বলেন, আদালতের চিঠি এখনো পাইনি । আমরা তো আদালতের বাইরে না। ইটভাটাটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিহিল লাল সরকার বলেন, বর্তমানে আমি দায়িত্বে নেই। যিনি দায়িত্বে রয়েছেন- তিনি ব্যবস্থা নেবেন। তবে রুলজারির বিষয়ে গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী স্যারের সাথে কথা হয়েছে, তিনি জেলা প্রশাসক স্যারের সাথে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।

তবে ভুক্তভোগীদের একজন রিটকারী আবদুল্লাহ হাসান অভিযোগ করে বলেন, এ রকম কর্মকাণ্ড উচ্চ আদালতের আদেশের সাথে এক ধরনের হেয়ালিপনা। হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে ফসলি জমিতে হাবিবুল্লাহ শেখ ভিন্ন নামে কীভাবে ইটভাটা চালু করেছেন- তা বুঝতে পারছি না। রুল জারির পর থেকে রিটকারী ও তার পরিবার হুমকিতে আছেন বলে অভিযোগ করেন আবদুল্লাহ হাসান। অভিযুক্ত ইটভাটার মালিক ইউপি মেম্বার হাবিবুল্লাহ শেখ বলেন, আদালতের অথবা প্রশাসনের কোনো অনুমতি নেই তার কাছে।

প্রসঙ্গত, গত বছর ডিসেম্বর মাসে হাইকোর্টের বিচারক এনায়েতুর রহিম ও মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ অবৈধ বলে এ ইটভাটাটি বন্ধের নির্দেশ দেন। হাইকোটের নির্দেশের পর পরিবেশ অধিদপ্তর দুইবার ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার করে। পরে ইটভাটাটি বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু গত বছরের ৫ ডিসেম্বর আবারো ইটভাটাটি ভিন্ন নামে চালু করেন হাবিবুল্লাহ শেখ।