Logo

দেশে নারী পুলিশ আরো বাড়ানো হবে। আইজিপি বেনজীর আহমেদ

অনিন্দ্যবাংলা
মঙ্গলবার, মার্চ ২৩, ২০২১
  • শেয়ার করুন

অনিন্দ্যবাংলাঃ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে ‘জেন্ডার রেসপন্সিভ পুলিশিং-অ্যান অ্যাপ্রোচ অব বাংলাদেশ পুলিশ অ্যান্ড রোল অব বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক (বিপিডব্লিউএন)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন আইজিপি।

তিনি বলেন, “জাপান পুলিশে সাত শতাংশ নারী আছে। আমাদের রয়েছে সাত দশমিক নয় শতাংশ। আমরা টার্গেট করেছিলাম ২০১৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে পৌঁছাব। সেটা সম্ভব হয়নি।

“আমাদের দরকার কোয়ালিটি পুলিশিং। আমরা চেষ্টা করব পুলিশে সাত দশমিক নয় শতাংশ নারী থেকে আরও নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য। আমরা পুলিশে নিয়োগের পলিসি পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। সেটা সম্ভব হলে অনেক পরিবর্তন আসবে।”

আর এ জন্য বিপিডব্লিউএনকে স্কুল-কলেজে গিয়ে ‘উইমেন লাইফ ইন পুলিশ’ নিয়ে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করার পরামর্শ দেন আইজিপি।

মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর শুভেচ্ছা জানিয়ে বেনজীর আহমেদ বলেন, “গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় পুলিশের উপর নির্ভরতা অনেক বেশি। জেন্ডার রেসপনসিভ পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে গত ১০-১২ বছরে অনেক পরিবর্তন এসেছে। জীবনের এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে পুলিশের ভূমিকা নেই। আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।”

নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে বলেই দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটছে বলেও মন্তব্য করেন পুলিশ প্রধান।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে তিন ক্যাটাগরিতে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিপিডব্লিউএন। এতে আটজন বিজয়ীকে পুরস্কার দেন আইজিপি।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা, ময়মনসিংহ জেলার বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী, নওগাঁ জেলার বিশেষ শাখার পুলিশ পরিদর্শক নন্দীতা সরকার, দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানার এসআই বিপ্লবী বেগম, ডিএমপির কনস্টেবল আফরিন সুলতানা, কনস্টেবল নাজনীন নাহার, কনস্টেবল সুমনা ইসলাম ও ঝালকাঠির কনস্টেবল সুখী দে।

বিপিডব্লিউএনের সভাপতি ও ডিআইজি (প্রটেকশন অ্যান্ড প্রটোকল-এসবি) আমেনা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও অপারেশন্স) ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি(ইউএনডিপি) উপ-আবাসিক প্রতিনিধি ভ্যান নুয়্যান, বিসিএস নারী নেটওয়ার্কের মহাসচিব স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শায়লা ফারজানা।

অনুষ্ঠানে দেশের সব জেলা থেকে নারী পুলিশ কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।