১. রোদেলা পথের পথিক
চলার পথে রোদের সাথে
হয় যদি তোর দেখা
জিরিয়ে নিয়ে বলিস দুটো
দুঃখ সুখের কথা!
ব্যথার ভারে নুয়ে যদি
পরিস পথের পাশে
দেখবি তখন রোদ এসে তোর
দাঁড়িয়েছে পাশে।
ঘন কালো মেঘ যত হোক
মনের মাঝে জমা
রোদের কাছে শিখে নিস তুই
অপরাধের পরেও করা ক্ষমা!
রোদ তোকে স্বার্থ ছাড়াই
দিয়ে যাবে আলো
এই কথাটা আর কেউ না জানুক
তুই তো জানিস ভালো!!!
২. সুখ কুড়ানো মেয়ে
আমার সুখ কুড়ানো মেয়ে
দুঃখ গুলো জমাও কেনো?
বিষাদ নামের খামে!
জানো তুমি?
সুখের নোঙর
ঘাটে ঘাটে বাঁধা
খুঁজতে গেলে তার
দেখা পাবে আধা ।
তারচেয়ে বরং
হাওয়ায় তুমি ভাসো!
ইচ্ছে মতো হাসো,
নতুন করে বাঁচো।
দুঃখ বুঝাই তরী,
সুখের নোঙর
ঘাটে ঘাটে ফেলে
সুখ কুড়িয়ে নাও যদি----
ভালোবাসা কিনতে যেও
ভালোবাসার দামে
জীবনটাকে লিখে দিও
প্রতিদানের নামে।
তবুও যদি দুঃখ জমে মনে----
পাঠিয়ে দিও মেঘের দ্যাশে
বৃষ্টি হলে উঠবে হেসে
রংধনুর ঐ বর্ণিল বেশে----
বাঁধার পাহাড় ডিঙাও যখন
তুমি হ্ও শক্তিশালী-----
তবুও যদি দুঃখ জমে মনে----
দুঃখ গুলো ভাসিয়ে দিও
নদীর কলতানে---
আমার সুখ কুড়ানো মেয়ে
দুঃখ গুলো জমাও কেনো?
বিষাদ নামের খামে------
৩. মায়াবতীর গপ্পো
প্রেমে পরার জন্য তো তবুও একটা কারণ লাগে!
মায়ায় পরার জন্য কোনো কারণ লাগে না-------
আপনি না হয় শুধুই প্রেমে পরেন!
আর আমি? হাজার বার মায়ায় পরি আপনার!
যতোটা ভালোবাসেন বলেন!তার থেকে কয়েক হাজার
গুণ মায়া করি, অবশ্য মায়ার বাঁধনে ভালোবাসার শক্তি
থাকে না মায়াবতী!
আপনি জানেন মায়াবতী?
আপনার একাউন্টে অনেক মায়া জমা পড়ুক!
শুধু তা তুলে নেবার ক্ষমতা আপনার না থাকুক-----
আপনি বুঝতেই পারবেন না মায়াময়!
মায়াবতীর পুরুষ বাচক কোনো শব্দ নাই-----
আর মায়াবতীর কোনো বিকল্প যেনো তৈরি না হয়!
তাইতো সব হারানোর মিছিলে আমি শুধু আপনার দিকে
হাত বাড়িয়ে দেই! আপনি শুধু আমার না হলেন--------
আমি আপনার এই শহরের কোলাহলে মিশে রবো!
আমি না হয় আমৃত্যু থেকে যাবো মায়াবতী----
আপনার পথে, কোনো কোলাহল ছাড়া! আপনাকে
ছেড়ে নয়!এই আলো হাওয়ায় মিশে যাবো যেদিন!
সেদিন দেখবেন মায়াবতীর গপ্পো গুলো ঠিক মনে
ছায়া ফেলেছে!
আপনি জানেন না মায়াবতী! ভালোবাসা এমন কিছু
ভালোবাসলে ঠিক বুঝা যায়-----
মায়াময় মুখখানি হৃদয়ে ছায়া ফেলে!আর আমি?
কোথাও যেনো ছায়া হীন মায়া ফেলে যাই--------
অপরাধ না করেও কেমন অপরাধী সেজে ফুল কুড়াই!
ভুল কুড়াই!মায়া কুড়াই-----